বিকাল ৩:১৮,   বৃহস্পতিবার,   ১৪ই নভেম্বর, ২০১৯ ইং,   ৩০শে কার্তিক, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ,   ১৬ই রবিউল-আউয়াল, ১৪৪১ হিজরী

থিয়েটার সুনামগঞ্জ-উদীচী’র প্রীতি ফুটবল ম্যাচ

স্টাফ রিপোর্টার :
‘তরুণ সমাজকে মাদক ও নানা অপকর্ম থেকে বিরত রাখতে খেলাধুলার কোন বিকল্প নেই’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে থিয়েটার সুনামগঞ্জ ও উদীচী সুনামগঞ্জ’র প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার বিকালে সুনামগঞ্জ জেলা স্টেডিয়ামে ৬০মিনিটের খেলায় ৩-৩ গোলে ড্র হয়। খেলা শেষে এক দল আরেক দলকে শুভেচ্ছা পুরস্কার তুলে দেন।
উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর পক্ষে খেলায় অংশগ্রহণ করেন, অধিনায়ক-জাহাঙ্গীর আলম, মো. মাইনুদ্দিন, মো. আবু তাহের, আব্দুস সালাম মাহবুব, পুলক রাজ, জহির আহমেদ, রাজিব দাস, তুষার তালুকদার, বায়েজিদ বোস্তামি, জনি আহমেদ, আফজল হোসেন, মাসুম আহমেদ, ইশতিয়াক পিয়াল, সৌরভ, সাদি রহমান, অনিক চৌধুরী ও জয় রাজ প্রমুখ।
থিয়েটার সুনামগঞ্জের খেলোয়াড় হিসেবে অংশগ্রহণ করেন অধিনায়ক- দেওয়ান গিয়াস চৌধুরী, শেখ রবিউল ইসলাম পুলক, সনি চন্দ, এনামুল হক জুবের, সোহানুর রহমান সোহান, মাজহারুল ইসলাম সোহাগ, পার্থ সাহা, বায়োজিদ আল সামায়ুন, মাজহারুল ইসলাম শিপন, রনি তালুকদার, রাব্বী, সোহাগ, সাব্বির আহমদ, নাইম, হোসাইন কবির, সাদিকুর রহমান প্রমুখ।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, থিয়েটার সুনামগঞ্জের সাংগঠনিক সম্পাদক তাজকিরা হক তাজিন, সদস্য সাবরিনা, উদীচী সুনামগঞ্জ’র সদস্য নোভা চৌধুরী, মুন্নি প্রমুখ।
খেলা শেষে উদীচীর সাধারণ সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন ‘এই খেলার মূল উদ্দেশ্য আমাদের নিজেদের মধ্যে ভালো একটা বোঝাপড়া করা। আমাদের ছেলে-মেয়েরা মঞ্চে কাজ করে। কিন্তু ওই ভাবে খুব একটা এক সাথে কাজ করার সুযোগ হয় না। এই ধরণের প্রীতি ফুটবল ম্যাচ ছেলে-মেয়র মধ্যে এক সাথে মিলে মিশে কাজ করার সুযোগ তৈরী হয়। খেলার জন্য তারা কয়েক দিন আগে থেকেই খেলার সব আয়োজন মিলে মিশে করে থাকে। তাই আমার মনে হয় এমন আয়োজন আরো বড় পরিসরে হওয়া উচিত।’
থিয়েটার সুনামগঞ্জে দলপ্রধান দেওয়ান গিয়াস চৌধুরী বলেন‘ সবাই আমাদের মঞ্চে কাজ করতে দেখেন। কেউ অভিনয় করে, কেউ গান কেউ নাচ করেন। কিন্তু আমাদের ছেলে মেয়েরাও যে খেলা-ধুলায়ও ভালো তা এমন প্রীতি ফুটবল ম্যাচে দেখা যায়। তবে এই খেলার মূল উদ্দেশ্য শরীরকে ভালো রাখা এবং খেলায় যারাই জয়ী হোক খেলা শেষে সবার মধ্যে একটা সম্প্রীতির সম্পর্ক তৈরী হয়। যেদিন খেলা হয় দুই দলের সবার মাঠে উপস্থিতি একটা আনন্দঘন মূহুর্তের সৃষ্টি হয়। ভবিষ্যতে সুনামগঞ্জের সব সাংস্কৃতিক দল মিলে বড় টুনামেন্টর আয়োজন করা গেলে আরো ভালো হবে।’