রাত ১২:৪২,   রবিবার,   ২১শে জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ,   ৫ই শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ,   ১৪ই মহর্‌রম, ১৪৪৬ হিজরি

অসামাপ্ত কাজ গুলো সমাপ্ত করতে আবারও সংসদে যেতে চান পীর মিসবাহ

স্টাফ রিপোর্টার
সুনামগঞ্জ-৪ (সদর-বিশ্বম্ভরপুর) আসনের জাতীয় পার্টি থেকে নির্বাচিত বর্তমান সংসদ সদস্য পীর ফজলুর রহমান মিসবাহ। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিরোধী দলীয় যে ক’জন সংসদ সদস্য সরব ছিলেন পীর মিসবাহ তাদের একজন। সংসদে তিনি কথা বলেছেন তার এলাকার মানুষের অধিকার নিয়ে। দেশের শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনির সঙ্গে একাধিকবার বাহাস করেছিলেন জাপার এই সংসদ সদস্য।

ব্যক্তিগত জীবনে সাদামাটা হিসেবে পরিচিত পীর মিসবাহ বলেন, আমি এই শহরের আলো বাতাসে বেড়ে উঠেছি। টানা দু’বার সংসদে প্রতিনিধিত্ব করেছি। দলমত নির্বিশেষে সবাই আমাকে ভোট দিয়েছে, আমিও একক কোনো দলের নয় সরকারের উন্নয়ন সব মানুষের কাছে পৌঁছে দিয়েছি। আমি মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান ফলে এলাকার মানুষের কষ্ট বুঝতে পারি, তাদের সেই কষ্ট লাগবে চেষ্টা করে গেছি। সুযোগ পেলে আগামীতেও মানুষের জন্য কাজ করতে চাই।
তিনি আরোও বলেন, আমি সাহেব হওয়ার জন্য কিংবা ক্ষমতা দেখানোর জন্য এমপি হইনি। মানুষের জীবন মানের উন্নয়ন পাশাপাশি অবহেলিত সুনামগঞ্জ সদর বিশ্বম্ভরপুরের উন্নয়ন করার জন্য এই অঞ্চলের মানুষ আমাকে এমপি বানিয়েছিল। আমি তাদের ২০০৮ সাল থেকে শুরু করে সুনামগঞ্জ সদর আসনটি জাতীয় পার্টির দখলে। এই আসনে জাপার নিজস্ব ভোট ব্যাংক রয়েছে, সাংগঠনিক অবস্থাও শক্তিশালী। পাশাপাশি পীর পরিবারের একটা আলাদা গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে। তার বড় ভাই দেশের বরেণ্য সাংবাদিক প্রয়াত পীর হাবিব, যার অসংখ্য লেখনীতে জল ও জোছনার শহর সুনামগঞ্জ এবং এলাকার মানুষের প্রতি ভালোবাসা ফুটে উঠেছে। এলাকার মানুষও পীর হাবিবকে ভালোবাসতেন যার প্রমাণ মিলে তার মৃত্যুর পর একাধিক শোকসভা আয়োজন ও মানুষের মুখে মুখে তার কর্মময় জীবনের বর্ণনা।

গত দুই মেয়াদে আওয়ামী লীগ এই আসন টি জাপাকে ছেড়ে দিলেও এবার তার আসনে নৌকার প্রার্থী সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) সাবেক চেয়ারম্যান ও সরকারের সাবেক সচিব ড. মোহাম্মদ সাদিক। ভোটের রাজনীতিতে তিনি খুব একটা পরিচিত না হলেও তরুণদের তার প্রতি আগ্রহ আছে।

সংসদ সদস্য পীর মিসবাহ বলেন, আমার নির্বাচনী এলাকায় ৪২ বছরে যা হয়নি বিগত ১০ বছরে তা করে দিয়েছি। কী কী কাজ করেছি তা এলাকার সাধারণ মানুষ ও সচেতন নাগরিকরা সাক্ষী। আমি মানুষের পাশে ছিলাম, মানুষও আমাকে আপন করে নিয়েছে। বিগত দিনে দায়িত্ব পালনে আমি সততার সঙ্গে কাজ করেছি। আমার কোনো ডান হাত বাম হাত ছিল না, সাধারণ মানুষ সরাসরি আমার সঙ্গে তাদের প্রয়োজনের কথা বলেছেন।

তিনি বলেন, আমি কিংবা আমার পরিবারের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ নেই, আমরা নিজেদের ক্ষমতাধর নয় জনগণের অংশ মনে করেছি।