সকাল ৯:৫০,   সোমবার,   ২২শে জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ,   ৭ই শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ,   ১৫ই মহর্‌রম, ১৪৪৬ হিজরি

বিএনপি’র যুগ্মসাধারণ সম্পাদক নোমান গ্রেফতার

স্টাফ রিপোর্টার
সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির যুগ্মসাধারণ সম্পাদক ও দলের পৌর কমিটির সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ আল নোমানকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শুক্রবার বিকেলে তাঁকে শহর থেকে গ্রেফতার করা হয়। নোমান সুনামগঞ্জ পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের দুইবারের সাবেক কাউন্সিলর। পৌর শহরের হাসননগর এলাকাবার বাসিন্দা ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার কোষাধ্যক্ষ।
সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. খালেদ চৌধুরী আবদুল্লাহ আল নোমানকে গ্রেফতার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, তাঁর বিরুদ্ধে থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা রয়েছে। এখন পরবর্তী আইন পদক্ষেপ প্রক্রিয়াধীন আছে।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, সুনামগঞ্জে একের পর এক মামলা ও গ্রেফতার বিএনপির ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের অনেকেই বাড়ি ছাড়া। বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের শীর্ষ পদের প্রায় সবাই এখন আত্মগোপনে। ২৮ অক্টোবরের পর এ পর্যন্ত বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে জেলার সাত উপজেলায় মামলা হয়েছে ১৮টি। এসব মামলায় নামোল্লেখ ও নামছাড়া (অজ্ঞাত) আসামি আছেন এক হাজারের ওপরে। এ পর্যন্ত গ্রেফতার আছেন ৬০জনের বেশি। বিএনপির নেতাকর্মী ও সমর্থকদের বিরুদ্ধে দায়ের করা সব মামলার বাদী পুলিশ। বিশেষ ক্ষমতা আইনে দায়ের করা এসব মামলায় আসামি হলেন এক হাজার ৮৯জন। এর মধ্যে নামোল্লেখ আছে ৪২৩জনের। বাকি ৬৬৬জন অজ্ঞাত আসামি। এসব মামলার মধ্যে সদর মডেল থানায় সাতটি, ছাতক থানায় দুটি, তাহিরপুর থানায় দুটি, শান্তিগঞ্জ থানায় দুটি ও দোয়ারাবাজার, শাল্লা, ধর্মপাশা, বিশ্বম্ভরপুর ও দিরাই থানায় একটি মামলা হয়েছে।
দলীয় সূত্রে আরও জানা গেছে, এসব মামলায় জেলা বিএনপির সভাপতি সাবেক সংসদ সদস্য কলিম উদ্দিন আহমদ, সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলামসহ বিএনপির আরও কয়েকজন শীর্ষ নেতা, জেলা যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক আসামি আছেন। সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম তিনটি মামলার আসামি। একটি মামলায় আসামি আছেন দলের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য মিজানুর রহমান চৌধুরীও।
সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নুরুল বলেন, একের পর এক মামলা দিয়ে পুলিশ বিএনপির নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করছে। এটা সত্যি দুঃখ জনক।  তবে গ্রেফতার ভয় দেখিয়ে আমাদের আন্দোলন বন্ধ করা যাবে না।