ভোর ৫:২৯,   বুধবার,   ২২শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ,   ৭ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ,   ১৩ই জিলকদ, ১৪৪৫ হিজরি

জগন্নাথপুরে তিন দফা বন্যায় রোপা আমন চাষীরা বিপাকে

রেজুওয়ান কোরেশী জগন্নাথপুর :
পর পর তিন দফা বন্যায় সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলায় রোপা আমনের বীজতলা তলিয়ে যাওয়ায় রোপা আমন চাষাবাদ নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষকরা।
উপজেলা কৃষি কার্যালয় সূত্র ও কৃষকরা জানান, জগন্নাথপুর উপজেলায় উল্লেখযোগ্য সংখ্যক কৃষক বোরো ফসলের পাশাপাশি রোপা আমন চাষাবাদ করে আসছেন। চলতি মৌসুমে রোপা আমন চাষাবাদের জন্য জুলাই মাসে রোপা আমনের বীজতলা তৈরি করেন। এক মাসের মধ্যে পর পর তিন দফা বন্যা সব বীজতলা তলিয়ে যায়।
উপজেলার হরিনাকান্দি গ্রামের কৃষক রাখাল দাস জানান, ছয় কেদার জমির রোপা আমন চাষাবাদের জন্য বীজ তলা তৈরি করেছিলাম। চারা বড় হতে শুরু করে এরমধ্যে তৃতীয় বারের বন্যার পানিতে আমার সব বীজতলা তলিয়ে যায়।
হরিনাকান্দি গ্রামের কৃষক সুলতান মাহমুদ জানান, প্রথম দফা বন্যার শুরুতে আমার তিন কেদার জমির রোপা আমনের বীজতলা তলিয়ে যায়। পরে আবারো বীজতলা তৈরি করি।তৃতীয় দফা বন্যায় আবারো বীজতলা তলিয়ে যায়।
হাওর বাঁচাও আন্দোলনের জগন্নাথপুর উপজেলা কমিটির আহ্বায়ক সিরাজুল হক বলেন, এবারের বন্যায় রোপা আমনের বীজ তলার ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। ফলে রোপা আমন চাষাবাদ নিয়ে উদ্বিগ্ন কৃষকরা।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শওকত ওসমান মজুমদার জানান, জগন্নাথপুর উপজেলায় ৯ হাজার হেক্টর জমিতে রোপা আমনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে ৫ হাজারহেক্টর বীজতলা তৈরি করা হয়। বন্যার পানিতে অধিকাংশ তলিয়ে যাওয়ায় নতুন করে বীজতলা তৈরি করা হচ্ছ।