দুপুর ১:২৯,   সোমবার,   ২৭শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ,   ১৩ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ,   ১৯শে জিলকদ, ১৪৪৫ হিজরি

দা‌ড়ি কে‌টে ছদ্ম‌বেশ ধ‌রেও রক্ষা হল না তা‌রে‌কের

স্টাফ রিপোর্টার :
দেখে চেনার উপায় নেই এই সেই সিলেটের এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে দলবেঁধে গৃহবধূকে ধর্ষণকারি তারেকুল ইসলাম ওরফে তারেক আহমদ। কারণ কিছুদিন আগেও তার মুখ ভর্তি দাড়ি আর মাথা ভর্তি চুল ছিল। গ্রেপ্তার এড়াতেই এমন অভিনব ছদ্মবেশ ধরেছিলো তারেক।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় সুনামগঞ্জের দিরাই থেকে তারেকুল ইসলাম তারেক কে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার এড়াতে নিজের চেহারায় পরিবর্তন এনেছিলেন তিনি। ধরেন ছদ্মবেশ। গ্রেপ্তারকৃত তারেক দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলার রফিকুল ইসলামের ছেলে এবং সিলেট সদর উপজেলার মেজরটিলার দীপিকা আবাসিক এলাকার বাসিন্দা।
র‌্যাব সুত্র জানায়, তারেকের মুখে লম্বা দাড়ি, মাথায় চুল থাকলেও গ্রেপ্তার এড়াতে চুল-দাড়ি কেটে ফেলেন। তাকে চিহ্নিত করতে কষ্ট হয় তাদের। তবে ছদ্মবেশ ধরেও রক্ষা পাননি তারেক। এ নিয়ে এ মামলার এজাহারে নাম উল্লেখ করা ছয় আসামির সবাইকে গ্রেপ্তার করা হলো। এছাড়াও এই ঘটনায় জড়িত মামলার অজ্ঞাতনামা আসামি আরও দুজনকে গ্রেপ্তার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
প্রসঙ্গত, গত শুক্রবার এমসি কলেজে স্বামীর সঙ্গে বেড়াতে গিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হন এক তরুণী। রাত সাড়ে ৮টার দিকে এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে স্বামীকে বেঁধে রেখে ওই তরুণীকে ধর্ষণ করে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা।
এ ঘটনায় তরুণীর স্বামীর দায়ের করা মামলায় আসামিরা হলেন- দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলার রফিকুল ইসলামের ছেলে তারেকুল ইসলাম তারেক (২৮), হবিগঞ্জ সদরের বাগুনীপাড়ার মো. জাহাঙ্গীর মিয়ার ছেলে শাহ মো. মাহবুবুর রহমান রনি (২৫), জকিগঞ্জের আটগ্রামের কানু লস্করের ছেলে অর্জুন লস্কর (২৫), দিরাই উপজেলার বড়নগদীপুর (জগদল) গ্রামের রবিউল ইসলাম (২৫) ও কানাইঘাটের গাছবাড়ি গ্রামের মাহফুজুর রহমান মাসুমকে (২৫)। এছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও তিনজনকে আসামি করা হয়।