দুপুর ১:২৬,   সোমবার,   ২৭শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ,   ১৩ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ,   ১৯শে জিলকদ, ১৪৪৫ হিজরি

হাওর অঞ্চলে নকশী শিল্পের প্রশিক্ষণ বৃদ্ধি করা প্রয়োজন : পীর মিসবাহ

স্টাফ রিপোর্টার :
সুনামগঞ্জ-৪ আসনের সাংসদ পীর ফজলুর রহমান বলেছেন, সুনামগঞ্জে মানুষের বেঁচে থাকার প্রধান উপকরণ বোরো ধান। ধান মাড়াই থেকে শুরু করে প্রায় সবরকমের কাজ করেন গ্রামের মহিলারা। কিন্তু এসকল কাজ শেষ করার পরেও কৃষানীরা বছরের অনেকটা সময় বেকার বসে থাকেন। তাই আমার মতে সুনামগঞ্জের হাওরের মহিলাদের নকশী শিল্পের উপর প্রশিক্ষণ দেওয়া প্রয়োজন। নকশী শিল্পের উন্নয়ন হলে হারিয়ে যাওয়া বাঙালীর পন্য আবারো ফিরে আসবে।
তিনি আরো বলেন, নকশী শিল্পের মাধ্যমে আমাদের হাওরের মেয়েরা তার জীবন-মান পরিবর্তন অনেক ভ‚মিকা রাখবে। পুরুষের পাশা-পাশি ঘরের মহিলারাও এসকল কাজ করেন তাহলে সংসারের কোন অভাব অনটন থাকবে না। আমি ইরাকে বলতে চাই আপনারা হাওরাঞ্চলের মানুষের উন্নয়নের কাজ করে যান। সুনামগঞ্জের পিছিয়ে পড়া জনপথকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হলে আপনারেরও সহযোগিতা প্রয়োজন।
শনিবার সন্ধ্যায় শহীদ জগৎ জ্যোতি পাঠাগার মিলনায়তনে তিন দিনব্যাপি ইউনোস্কোর অংশগ্রহনমূলক প্রোগ্রামের আওতায় নকশী শিল্প প্রদশর্নী ও মেলার সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি’র বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ইরা’র নির্বাহী পরিচালক সিরাজুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও সংবাদকর্মী দেওয়ান গিয়াস চৌধুরী’র সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি’র বক্তব্য রাখেন, শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের বাংলাদেশ ইউনেস্কো জাতীয় কমিশনের ডেপুটি সেক্রেটারি আবু হেনা মোরশেদ জামান, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্টেট সুহেল মাহমুদ, শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের বাংলাদেশ ইউনেস্কো জাতীয় কমিশনের প্রোগ্রাম অফিসার মো. তাজ উদ্দিন, নারী উদ্যোগক্তা ও সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান নিগার সুলতানা কেয়া, নারী উদ্যোগক্তা শামীমা খান প্রমুখ।
এর আগে সুনামগঞ্জ-৪ আসনের সাংসদ পীর ফজলুর রহমান মিসবাহ তিন দিনব্যাপি চলা নকশী শিল্প প্রদশর্নী ও মেলার বিভিন্ন স্টল পরিদর্শণ করেন।